Ad Code

নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস

https://ift.tt/5BHFvo6 নেপালে টানা ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কাঠমান্ডু থেকে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়। সতর্কবার্তায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নেপালের চলমান আবহাওয়া ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে আক্রান্ত এলাকাগুলো এড়িয়ে চলতেও বলা হয়েছে। দূতাবাস বিশেষভাবে পিসাং, চামে, মানাং ও আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলোতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা জানিয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তুষারপাতের কারণে নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা এবং যোগাযোগব্যবস্থার সমস্যার কারণে কোথাও কোথাও উদ্ধার তৎপরতাও কঠিন হয়ে পড়েছে। পোখারা ও এর আশপাশের এলাকাতেও ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ এবং কাছাকাছি ট্রেকিং রুটগুলোতে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে মুস্তাং, জমসমসহ পার্বত্য অঞ্চলে যাওয়ার আগে গান্দাকি প্রদেশের সড়ক পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। কারণ, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে এসব সড়কে যেকোনো সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলু অঞ্চলসহ বিভিন্ন পাহাড়ি ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় ট্রেকিং, পর্বতারোহণ কিংবা ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নেপাল সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, তারা নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে হালনাগাদ তথ্যও জানানো হবে। এদিকে নেপালে তুষারধসের একটি ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নেপালি নিখোঁজ হয়েছেন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারছে না। ফলে নিখোঁজদের উদ্ধারে পরিচালিত কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রেকিং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানাং জেলার নার ফু এলাকায় হিমলুং হিমালে তুষারধসের ঘটনাটি ঘটে। রোববার সকাল থেকে সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হিমালয়ান হলিডেজ ট্রেকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিভূতি চাঁদ ঠাকুর।

from Amarbangla Feed https://ift.tt/FeYE8qK

Post a Comment

0 Comments